ইতিমধ্যেই আপনারা হয়তো একটা ডোমেইন কিনে ফেলেছেন। এখন আপনাদেরকে যেটা করতে হবে সেটা হলো সাইটটাকে হোস্ট করে নেয়া। আমি আপনাদেরকে সাজেস্ট করবো HostGator.com ব্যবহার করতে।

hand-o-down

আপনি যদি HostGator.com বেবি প্ল্যানে না যান তাহলে আপনার নিজস্ব হোস্ট বেছে নিতে যা যা করতে হবে সেগুলো এখানে দেয়া হলো-

একটা বিশ্বস্ত কোম্পানি বেছে নিন

অল্প মুল্যের কারণে কোনো অপরিচিত কোম্পানি থেকে হোস্টিং করবেন না কারণ তারা যদি উধাও হয়ে যায় তাহলে তাদের সাথে আপনার সাইট ও যাবে। সুতরাং, যেকোনো কোম্পানি সম্পর্কে আগে গুগলে সার্চ করে তাদের অতীত ইতিহাস আর খ্যাতি সম্পর্কে জেনে নিন।

সাপোর্ট সম্পর্কে জেনে নিন

আপনার ওয়েবহোস্ট কি আপনাকে চ্যাট অথবা ফোনে যোগাযোগ করার সুযোগ দিচ্ছে? যদি না দেয় তাহলে সাবধান হন।

যথেষ্ট ব্যান্ডউইথ (Bandwidth) নিন

আপনার কি পরিমান ব্যান্ডউইথ লাগবে সেটা নির্ভর করে আপনি কি পরিমান ট্রাফিক আশা করছেন আর কত বেশী বড় বড় ফাইল বিশেষ করে ভিডিও আপনার সাইটে দেখাবেন কিনা? বেশীরভাগ ওয়েব হোস্টরাই আপগ্রেড অনুমোদন দেয় সুতরাং আপনি প্রথমেই অনেক বেশী ব্যান্ডউইথ না নিলেও চলবে। মোটামুটি প্রতি মাসে ২০ জিবি নিলেই আপনাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করার কথা।

টিপসঃ আপনি যদি অনেক বেশী ভিডিও অথবা বড় বড় ফাইল আপনার সাইটে লোড করাতে চান তাহলে আপনার উচিত হবে এধরণের বড় ফাইলগুলোকে Amazon S3 তে হোস্ট করে নেয়া।

আপনার যথেষ্ট জায়গা আছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন

স্টিং স্পেস (আপনার ফাইলগুলো হোস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় জায়গা) ব্যান্ডউইথ এর তুলনায় অনেক সস্তা যার কারনে বেশীরভাগ হোস্ট দাতারাই অনেক অনেক জায়গা দিয়ে থাকে। যদি দেখেন যে আপনার হোস্ট দাতা আপনাকে কমপক্ষে কয়েক গিগাবাইট দিচ্ছে না তাহলে এমন একটা হোস্ট খুঁজে নিন যারা বেশী জায়গা অনুমোদন করবে।

প্রাসঙ্গিক অন্যান্য ফিচার বা সুবিধা গুলোও চেক করে নিন

আপনার হোস্ট নিচের সুবিধা গুলো দেবে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন-

  • অসংখ্য ইমেইল অ্যাকাউন্ট, ফ্রি ফরোয়ার্ডিং, বিনা খরচে স্বয়ংক্রিয় যোগাযোগ এবং সম্পূর্ণ ফ্রি ওয়েবমেইল।
  • কোন অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ডোমেইন সংযোগ করা
  • কমপক্ষে ২০ টা ডাটাবেজ (MySQL)
  • অনির্দিষ্ট সংখ্যক সাবডোমেইন
  • সহজে ব্যবহারযোগ্য কন্ট্রোল প্যানেল ( বিশেষ করে যেটা আপনার স্ক্রিপ্ট ইন্সটল করে দেবে)
  • সর্বাধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো (languages) সাপোর্ট করা ( বিশেষ করে PHP, perl, CGI, ASP এইগুলো)
  • সবকিছুর পরিসংখ্যান দেখানো

HostFator.com অথবা আপনার পছন্দের হোস্ট সাইটে হোস্টিং অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার কাজ হবে আপনার NameCheap.com অ্যাকাউন্টে লগ ইন করা এবং ডোমেইন নেম সার্ভারে পরিবর্তন করে আপনার নতুন হোস্টিং অ্যাকাউন্ট টা পয়েন্ট করে দেয়া।

এরপরই যখন কেউ আপনার ডোমেইন নেম লিখে সার্চ করবে তখন আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবে তবে হ্যা অনেক সময় এটা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে যেতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

এসময় HostGator.com আপনার ডোমেইন নেম সার্ভারের (DNS) সকল তথ্য আপনাকে ইমেইলে জানিয়ে দেবে। যদি এরকম কোনো ইমেইল না পান তাহলে তাদের সাপোর্ট সেন্টারে যোগাযোগ করে দেখেন। 

আজকের কাজঃ আপনার হোস্টিং খুঁজে নিন এবং নতুন হোস্ট টা পয়েন্ট করার জন্য ডোমেইন নেম সার্ভারে (DNS) পরিবর্তন করে নিন। আগামীকাল আপনাদেরকে Autoresponder সম্পর্কে বলবো।

hand-o-down